রোহিঙ্গাদের জন্য ২২ ট্রাক ত্রাণ নিয়ে গিয়ে বাধার মুখে ফিরে আসা দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ত্রাণ সহায়তা কমিটির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস বলেন, সেনা মোতায়েন ছাড়া সব শরণার্থীর কাছে ত্রাণ পৌঁছানো অসম্ভব।

আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন আব্বাস।

আব্বাসের দাবি, সরকারি ত্রাণ রোহিঙ্গা শিবিরে এখনো পৌঁছেনি। তা ছাড়া ত্রাণের বিষয়ে সরকার এবং প্রশাসনের চরম উদাসীনতার ফলে রোহিঙ্গাদের দুর্দশা চরমে। এমনকি বিদেশি দাতা সংস্থাগুলোর যে ত্রাণ সামগ্রী রোহিঙ্গাদের জন্য দেশে পৌঁছেছে সেগুলো বিমানবন্দরে এবং নৌবন্দরের জেটিতে পড়ে আছে।

বিএনপি নেতা আরো বলেন, ‘সফরকালে আমরা অসংখ্য বেসরকারি সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের নানা ত্রাণ তৎপরতা দেখলেও সরকারি কিংবা আওয়ামী লীগ পরিবারের তেমন কোনো কার্যক্রম দেখিনি। ১৩ তারিখে আমাদের ত্রাণ বিতরণে বাধা দেওয়া হলেও ১৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানকে শুধু ত্রাণ দিতেই দেওয়া হয়নি, বরং ত্রাণবাহী যানবাহনের চলাচল বন্ধ করে তিনি সরকারি পাহারায় জনসভায় ভাষণও দিয়েছেন। সরকারের এমন দ্বিমুখী আচরণের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।’

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানাব, অবিলম্বে দেশি-বিদেশি যত সাহায্য সহযোগিতা এবং অনুদান এসেছে তা সুষ্ঠুভাবে বণ্টনের জন্য রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে সেনাবাহিনী নিয়োগ করুন। রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনসহ সব ধরনের ত্রাণ তৎপরতায় সেনাবাহিনী নিয়োগ করুন। বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দলের পক্ষ থেকে আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই- রোহিঙ্গা ইস্যুতে কোনো রাজনীতি নয়, আসুন দলমত নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে আর্তমানবতার সেবায় কাজ করি।’

এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 

m.ahmad