প্রশ্ন : হার্ট অ্যাটাকের মতো জটিল একটি রোগে মানুষ আক্রান্ত হয় কেন?

উত্তর : আমরা কেন হার্ট অ্যাটাক হলে বেশি আতঙ্কিত হই? এটি একটি মরণব্যাধি। এই রোগ যদি কারো হয়, তাকে যদি জরুরি চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে জীবন বাঁচানো অনেকখানি সম্ভব। আমরা যে জন্য বলতে চাইছি, হার্ট অ্যাটাক মৃত্যুর কারণ বটে, যদি সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। তাহলে একে অনেকটুকুই মোকাবিলা করা যায়। এর জন্য প্রথমে দরকার জনসচেতনতা। মানুষের সচেতনতা তৈরি করতে হবে। যখনই বুকে তীব্র ব্যথা হবে, তখন তাকে জরুরি ভিত্তিতে, ধারের কাছের হৃদরোগ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। নিকটস্থ হাসপাতালে অবশ্যই আগে নিতে হবে।

প্রশ্ন : একজন মানুষের হার্ট অ্যাটাক হয় কেন?

উত্তর : মায়োকর্ডিয়াল ফ্রাকশনকে আমরা হার্ট অ্যাটাক বলি। জনগণ বা রোগীর জন্য সহজভাবে বোঝার জন্য বলি, যদি বুকে তীব্র ব্যথা হয়, তার সঙ্গে যদি বমি কিংবা ঘাম হয়, তাহলে মনে করতে হবে হৃদরোগের একটি লক্ষণ রয়েছে। এখন কেন হয়? কাদের হয়? কারা ঝুঁকিপূর্ণ? দেখা গেছে, পরিবারের বাবা-মা, ভাইবোন তাদের হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল আগে, তাদের হয়তো হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে বেশি। কিংবা তার যদি জীবনযাপনে পরিবর্তন থাকে, সে অকর্মঠ জীবনযাপন করছে, ভালো জীবনযাপন করছে না, তাহলে সমস্যা হবে। হয়তো ধূমপান করছে, ভারী খাওয়া-দাওয়া করছে, তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ থাকলে, ডায়াবেটিস থাকলে, এই ধরনের ঝুঁকি থাকলে, কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি থাকে।

প্রশ্ন : অ্যাটাকে হার্টে কী পরিবর্তন হয়?

উত্তর : হার্টে রক্তনালিতে রক্ত সরবরাহ করার জন্য, ওই ধমনীতে যদি কোনো কারণে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়, তখন ওই এলাকার সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, আশপাশের মায়োকর্ডিয়াম, হার্টের যে মাংসপেশিগুলো সেগুলো পচে যায়। এর কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যাওয়া শুরু হয়।