দুর্নীতির অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হতে ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরো (এনএবি) কোর্টে হাজিরা দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। কয়েক মিনিট মিনিট পর আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগও করেছেন তিনি।

অন্যদিকে নওয়াজ শরিফের ছেলে হাসান ও হুসেইন, মেয়ে মরিয়ম এবং জামাতা ক্যাপ্টেন সফদারের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। নির্ধারিত দিনে ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরো (এনএবি) কোর্টে হাজির না হওয়ায় এ পরোয়ানা জারি হয়। জামিন পেতে তাদের প্রত্যেককে ১০ লাখ রুপির মুছলেকা জমা দিতে বলা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নওয়াজসহ তার তিন সন্তান ও জামাতাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে নওয়াজের কন্যা ও পুত্ররা বর্তমানে মায়ের ক্যান্সারের জন্য লন্ডনে অবস্থান করছেন। নির্ধারিত দিনে আদালতে হাজির না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে এনএবি।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানায়, প্রথম দিন আদালতে হাজির হয়ে স্ত্রীর অসুস্থতার কথা জানিয়েছে নওয়াজ বলেছেন তাকে স্ত্রীর কাছে যেতে হবে। আদালতের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফিরে যান সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। আগামী ২ অক্টোবর আবারও হাজিরা দিতে হবে নওয়াজকে।

প্রায় এক মাস আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত স্ত্রী কুলসুম নওয়াজকে দেখতে লন্ডন যান নওয়াজ। আর এর পর থেকেই বিরোধীরা গুঞ্জন তুলেছিল নওয়াজ আর দেশে ফিরবেন না। বিরোধী দল পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফ (পিটিআই) আশঙ্কা জানিয়েছিল, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এবং ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরোর মামলাগুলো মোকাবিলা করার ভয়ে নওয়াজ সহসা দেশে নাও ফিরতে পারেন।অবশেষে বিরোধীদের সেই আশঙ্কাকে মিথ্যে প্রমাণ করে সোমবার দেশে ফেরেন নওয়াজ। আর মঙ্গলবার হাজিরা দেন আদালতে। তবে নওয়াজের মেয়ে মরিয়ম, ছেলে হাসান ও হুসেইনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা এখনও লন্ডনে আছেন।