“জীবনের স্বপ্নগুলো সত্যি হয় না বরং স্বপ্নগুলোকে সত্যি করে নিতে হয়। এর জন্যও প্রয়োজন টার্গেট ,এগিয়ে যাবার ইচ্ছা এবং তা পুড়নের জন্য কঠোর পরিশ্রম “। কথা গুলো সিলেট সিটিকর্পরেশনের একজন জননন্দিত কাউন্সিলর দিনার খান হাসু্র। তিনি বড় ভাই এড.মোঃ সামসুজ্জামানের হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।

এরপর থেকে , দেশের প্রতিটি সঙ্কটপূর্ণ পরিস্থিতিতে তিনি ছিলেন জনগণের পাশে বন্ধু হিসেবে । জনগণের সাথে ভালবেসে মিশে গেছেন একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আর তার প্রাপ্য সম্মান হতে ও জনগণ বঞ্চিত করেননি ।সিলেট নগরী ২০০৩ সালে সিটিকর্পরেশনে উন্নীত হবার পর থেকেই জনাব দিনার খান হাসু ওয়ার্ডের তিন তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর । এই পরাক্রমশীল নেতা একবার সিলেট সিটিকর্পরেশনের প্যানেল মেয়র হিসাবে সম্মানিত হন ।

10348836_409908702তারুণ্যের প্রতীক একজন দিনার খান হাসু

তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন রাস্তাঘাট তৈরি ,রাস্তা প্রসস্তকরন, জলাবদ্ধতা হ্রাসকরণর ,প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা এবং সময় উপযোগী উন্নয়ন মূলক কাজে করেছেনসব সময় ,যার ফলে জনসাধারণের চলাচলের ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে নির্বিঘ্ন পরিবেশ । তার ওয়ার্ডের যাবতীয় সমস্যা সমাধানে জনগণকে সাথে নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন । তিনি নিজেকে একজন সাধারণ মানুষ হিসাবে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন , যার ফলে জনগণের সাথে নিবিড় এক সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছে । তিনি জনগণের সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে চলতে অপছন্দ করেন । তিনি বলেন জনগণের ভালবাসাই আমার সম্পদ । এতে তিনি ক্লান্তি বোধ করেন না । জনাব দিনার খান হাসু – পরিবেশ রক্ষা ও বিভিন্ন প্রকার উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য ২০১৪ সালে কাজী নজরুল ইসলাম স্বর্ণ পদক লাভ করেন।

এলাকার জনগণ জনাব দিনার খান হাসু এবং তার পরিবারের দীর্ঘায়ু ও সুস্ততা কামনা করে দীর্ঘ দিন পাশে থাকবার জন্য এমনটাই আশা প্রকাশ করেন।

জনাব দিনার খান হাসু ২৪শে নভেম্বর ১৯৭৩ সালে সিলেট বিভাগের রায়নগর এলাকার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম জনাব সোলেমান খান এবং মাতার নাম জনাবা দিলারা বেগম। তাঁর স্ত্রী জনাবা নুজহাত নাঈমা সহ এক পুত্র সন্তানের জনক । তিনি এক প্রশ্নের জবাবে জানান তার মা , স্ত্রী নুজহাত এবং জনগণের সহসতা ছাড়া এতদূর আসা সম্ভব হতো না ।

জনাব দিনার খান হাসু জঙ্গি মুক্ত সোনার বাংলা দেখবার স্বপ্ন দেখেন এবং পড়াশুনা শেষ করে রাজনীতিতে প্রবেশ করবার জন্য ছাত্র সমাজকে আহ্বান করেন। তার স্বপ্ন , সফলতা এবং জনগণের প্রতি ভালোবাসা তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে যাবার প্রেরণা জোগাবে।