নালিশ অথবা এজাহার দায়েরের মাধ্যমে আনীত কোন মোকদ্দমার বিচার কালে যদি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মনে হয় যে আসামীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা বা ভিত্তিহীন এবং নগণ্য বা বিরক্ত জনক, তাহলে বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধি ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট হতে হবে যে, মোকদ্দমাটি স্বেচ্ছায় মিথ্যা ভাবে রজু করা হয়েছে এবং তা সুবিচারের জন্য রজু করা হয়নি, বরং আসামীকে বিরক্ত করার লক্ষে বা কোন উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষে আসামীর প্রতি চাপ সৃষ্টি করার জন্য দায়ের করা হয়েছে।

দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুযায়ী যদি কোন লোক অপর কোন লোকের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে, মিথ্যা ও আইনানুগ মামলা দায়ের করার কোন কারণ নাই জানা সত্ত্বেও কোন মিথ্যা মামলা দায়ের করে তাহলে উক্ত ব্যাক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

এবং যদি উক্ত মিথ্যা মামলা কোন মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা সাত বৎসর বা তার বেশী মেয়াদের কোন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সম্পর্কে দায়ের করা হয় তাহলে দায়েরকারী সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

যে লোক মিথ্যা এজাহার করেছিল সে লোকের বিরুদ্দে ২১১ ধারা অনুসারে মামলা দায়ের করতে হলে ঐ মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।